শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন

কিশোরগঞ্জে পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলেছে প্রায় ৪কোটি ১৮ লাখ টাকা

জাফলং নিউজ ডেস্ক / ১৩ শেয়ার
আপডেট : রবিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৩, ১:২১ পূর্বাহ্ন

কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে এবার তিন মাস ৬দিন পর ৮টি দানবাক্সে দিনভর গণনা শেষে মিলল ২০ বস্তায় মোট ৪কোটি ১৭ লক্ষ ৮৬ হাজার ৩৯ টাকা। এছাড়াও রয়েছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার।

শনিবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়। এগুলো খুলে ২০টি বস্তায় টাকাগুলো আনা হয়েছিল। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এটিএম ফরহাদ চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

টাকা গণনা কাজে সিনিয়র সহকারী কমিশনার অহনা জিন্নাত, শেখ জাবের আহমেদ, সুলতানা রাজিয়া, সহকারী কমিশনার মোছা. নাবিলা ফেরদৌস, মো. মাহমুদুল হাসান, রওশন কবীর, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান ও রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলামসহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

এর আগে সর্বশেষ ১ অক্টোবর ২০২২ ৩মাস ১দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন রেকর্ড ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৮৮২ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়।

মসজিদের সভাপতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম জানান, এ বর্তমান মসজিদটি ভেঙে এখানে ৬তলা ভবনের আন্তর্জাতিক মানের দৃষ্টি নন্দন মসজিদ কমপ্লেক্স করার জন্য আমরা ইতিমধ্যে কাজ হাতে নিয়েছি। আশা করি কিছুদিনের মধ্যে এক কাজ হাতে নিব।

জনশ্রুতি রয়েছে, বহু বছর আগে এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝপথে প্রবাহিত নরসুন্দা নদের মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা উঁচু টিলাকৃতির স্থানটিতে। মুসলিম-হিন্দু নির্বিশেষে সব ধর্মের লোকজনের যাতায়াত ছিল ওই সাধকের আস্তানায়। ওই পাগল সাধকের মৃত্যুর পর তাঁর উপাসনালয়টিকে কামেল পাগল পীরের মসজিদ হিসেবে ব্যবহার শুরু করে এলাকাবাসী। কালক্রমে নাম হয়ে যায় পাগলা মসজিদ।


আরও পড়ুন