মৌলভীবাজার শহরের আলোচিত হত্যাকান্ড শাহ ফয়জুর রহমান রুবেল হত্যা মামলায় কেন্দ্রীয় আওয়মীলীগ নেতা কারাবন্দি ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনের সহযোগি অলি আহমদ’কে প্রধান আসামী করার চেষ্টা করছেন জামায়াত, এনসিপি ও বিএনপির নেতাকর্মীর। এ ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন অলি আহমদ এর পিতা বহিষ্কৃত তাঁতীদল নেতা মো: এলাইছ মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা।
শাহ ফয়জুর রহমান রুবেল হত্যা মামলা থেকে অলি আহমদ’কে বাঁচানোর জন্য তার পিতা মো: এলাইছ মিয়া মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের দারস্থ হন। মিজানুর রহমান বিএনপি নেতা তোফায়েল আহমদ তোয়েল, জামায়াতের জেলা সেক্রেটারী মো: ইয়ামীর আলী ও এনসিপি নেতা খালেদ আহমদ’কে নিয়ে গত ০১ অক্টোবর বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেন। সে আলোকে জেলা পরিষদের হলরুমে আলোচনার এক পর্যায়ে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতারা বলেন, রুবেল হ্যাকান্ডের সাথে সরাসরি অলি আহমদ জড়িত ছিল। তাকে ১নং আসামী করে চার্জশীট দিতে পুলিশকে বলা হয়েছে। এ সময় উত্তোজনা সৃষ্টি হয়। অলি আহমদ এর পিতা মো: এলাইছ মিয়া বলেন, রুবেল হত্যাকান্ডের সাথে আমার ছেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এক পর্যায়ে মিজানুর রহমান বলেন আপনারা সবাই শান্ত হন আমি দেখতেছি। তখন তোফায়েল আহমদ তোয়েল অলি আহমদকে ১নং আসামী থেকে বাদ দিতে হলে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ১০ লক্ষ টাকার কথা শুনে মিজানুর রহমান রাগান্বিত হয়ে বলেন তোমরা চাঁদাবাজি করতে করতে আমার সামনে এসেও নিরপরাধ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করছ। তখন বিএনপি নেতা তোফায়েল আহমদ তোয়েল বলে, আপনি তাদের কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে না পারলে আপনার জেলা পরিষদ বোমা মেরে উড়িয়ে দেব। এ হুমকির পর থেকে জেলার সচেতন মহলে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি কর্মচারী ও সাধারণ মানুষ অনিরাপত্তায় ভোগছেন।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ুন বলেন, “বিএনপি নেতা তোফায়েল আহমদ তোয়েল কোনো অবস্থাতে চাঁদা দাবি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিতে পারেন না। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জেলা মানবাধিকার সোসাইটির সভাপতি সেলিম আহমদ বলেন, “এধরনের হুমকি সম্পন্ন আইন বিরোধী। নিরপরাদ ব্যক্তিকে এভাবে আসামী করা কোনো ভাবেই ঠিক নয়।